আমি ঘুরতে খুব ভালোবাসি। এটা আমার বাবার কাছ থেকে বোধ হয় উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। বাবা ,প্রায় প্রতি বছর দুর্গাপুজোর সময় অথবা বার্ষিক পরীক্ষার শেষে ডিসেম্বর মাসে কখনো কাছে পিঠে কোথাও ,কখনো বা দূরের কোনো রাজ্যের জায়গা গুলি ঘোরাতে নিয়ে যেতেন। বিয়ের পর আমার স্বামীরও বদলির চাকরি হওয়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার সুযোগ পেয়েছি। আমি সেগুলিকে এখানে পর্যায়ক্রমে চিত্র সহযোগে লিখতে চলেছি। যাতে পাঠক কুলও এই জায়গা সম্বন্ধে জানতে পারেন এবং এই জায়গার বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা দেখার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।
Monday, 21 December 2020
দার্জিলিং ভ্রমণের চতুর্থ পর্ব।
(লেবং -এর পথে ঢেঁকি শাক /ফার্ন গাছের নীচে ছবির জন্য দাঁড়ানো।) সকালের দিকে আমরা জা-এর সঙ্গে কখনও সব্জীবাজার,মাছের বাজার বা মুদিখানার দোকানেও যেতাম।গ্ল্যানারিসের বেকারি বিস্কুট বিশেষ করে জিনজার বিস্কুট তো আমার ভীষণ প্রিয় ছিল।স্বপ্নের দার্জিলিং -এর পাহাড়ি রাস্তায় হাঁটতেই ভালো লাগতো। বিকেলে আমরা সবাই মিলে দার্জিলিং গভর্মেন্ট কলেজ হয়ে লেবং -এর দিকে হাঁটতে শুরু করলাম। লেবং সর্বোচ্চ রেসকোর্সের জন্য বিখ্যাত। আমাদের কোয়ার্টার থেকে প্রায় সাত-আট কিমি দূর। পথে যেতে যেতে দার্জিলিং -এর বেশ কিছু নামকরা আবাসিক মিশনারী স্কুলগুলো দেখে নিলাম। গেটের বাইরে থেকেই উঁকি দিয়ে দেখলাম বাচ্চারা সব মাঠে খেলছে। তারপর আবার এগিয়ে চললাম।চলার পথের দুধারের দৃশ্য মনোমুগ্ধকর। এভাবেই অবসারভেশন পয়েন্টে পৌঁছে উঁচু থেকে লেবং-এর রেসের মাঠ দেখে আবার ফেরার জন্য পা বাড়ালাম।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
রাজস্থান ভ্রমণ- দশম তথা অন্তিম পর্ব।
রাজস্থান ভ্রমণ- দশম তথা অন্তিম পর্ব। জয়পুর শহর ভ্রমণ। 1st জানুয়ারি,2017. 1লা জানুয়ারি আমরা ঠিক 8:45-এ RTDC-র তীজ হোটেলে, আমাদের কবীর মার্গে...
-
তৃতীয় পর্ব। (বালির ওপরে এই বড়ো পোকার দরুণ মূর্ত হওয়া ডিজাইন।) ২৬শে ডিসেম্ব...
-
উদয়পুর শহর পরিক্রমা। 29শে ডিসেম্বর,2016. ভোর সাড়ে চারটের সময় আমরা উদয়পুর বাসস্ট্যান্ডে এসে বাস থেকে নামল...
-
রাজস্থান ভ্রমণ- দশম তথা অন্তিম পর্ব। জয়পুর শহর ভ্রমণ। 1st জানুয়ারি,2017. 1লা জানুয়ারি আমরা ঠিক 8:45-এ RTDC-র তীজ হোটেলে, আমাদের কবীর মার্গে...
No comments:
Post a Comment